মোঃ জাফর ইকবাল রানাঃ স্টাফ রিপোর্টার 

 

শনিবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুরে এ অভিযান চালায় ভ্রাম্যমাণ আদালত।

এ সময় চার পেঁয়াজ ব্যবসায়িকে চার হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন ঠাকুরগাঁও জেলার গোবিন্দনগর আড়তের মো. নুর জামাল ও মো. মামুন। যাদের জরিমানা করা হয়েছে তারা হলেন- মো. পারভেজ, মো. মোশারুল ইসলাম, বাপ্পা এবং মো. আব্দুল হামিদ।

শনিবার (৯ ডিসেম্বর) ঠাকুরগাঁও জেলার গড়েয়া, কলীবাড়ি, খোঁচাবাড়ি,রোড বাজারসহ কয়েকটি বাজারে ঘুরে এ তথ্য পাওয়া গেছে। তবে এ বাজারগুলোতে বিক্রি হচ্ছে সবই ভারতীয় পেঁয়াজ। কোথাও দেশি পেঁয়াজের দেখা মেলেনি। আবার কোথাও কোথাও পেঁয়াজশূন্য বাজার।

খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, ঘণ্টায় ঘণ্টায় বাড়ছে পেঁয়াজের দাম। এজন্য পাইকাররা দেশি পেঁয়াজ ছাড়ছেই না।

রাতারাতি পেঁয়াজের এমন দাম বৃদ্ধিতে ক্ষুব্ধ ক্রেতারা। বাজারে এসে অনেকে পেঁয়াজ না কিনে ফিরে যাচ্ছেন। আবার অনেকে একান্ত বাধ্য হয়েই কিনছেন।

কালীবাড়ি বাজারে কথা হয় ক্রেতা সামিম হোসেনের সাথে। তিনি বলেন, ‘শুক্রবার রাতে দেশি পেঁয়াজ কিনলাম ১০০ টাকা করে। আজকে এসে ( শনিবার) দেখি সেটা ২২০ টাকা। রাতের মধ্যেই বেড়ে গেলো ১২০ টাকা। এটা কেমন কথা? ভারতের পেঁয়াজ রপ্তানি করবে না এমন ঘোষণায় ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়ে দিল। অথচ যখন পেঁয়াজের দাম কমানো হয় তখন স্থানীয় বাজারগুলোতে দাম কমতে লাগে সাত দিন।’

রোড বাজারে কথা হয় হোসেন আলীর সাথে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘বৃহস্পতিবার রাতে পেঁয়াজ কিনেছি ৯০ টাকা। আজ কিনতে হলো ২২০ টাকা দরে। প্রশাসনের কঠোর মনিটরিং দাবি করছি।’

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ব্যবসায়ি বলেন, ‘ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করার খবরে অনেক ব্যবসায়ি পেঁয়াজের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। আবার অনেকে পেঁয়াজ বিক্রি বন্ধ রেখেছে। এ কারণেই বাজারে এই অস্থিতিশীল অবস্থা চলছে।’

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আনোয়ার হোসেন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।

তিনি বলেন, আমাদের নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। কোন অসাধু ব্যবসায়ী অতিরিক্ত মূল্যে পেঁয়াজ বিক্রি করলে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

পোস্টটি শেয়ার করুনঃ