মোঃ নাফিউল ইসলামঃ বিশেষ প্রতিনিধি।

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে এবারও কোরবানি পশু চামড়া নগণ্য দামে বিক্রি হয়েছে। সরকারের বাঁধা-নিষেধ উপেক্ষা করে কম দামে চামড়া কিনলেও লবণ লাগানো চামড়ার দামে আশঙ্কা প্রকাশ করছে মওসুমি ব্যবসায়ীরা।

বৃহস্পতিবার (২৯ জুন) উপজেলার (থানা চারমাথা) মহিমাগঞ্জ রোডস্থ অস্থায়ী পাইকারী বাজারে পবিত্র ঈদুল আযহার কোরবানি করা পশু চামড়ার সরকার নির্ধারিত দাম দেখা যায়নি। শ্রেণিভেদে গরুর চামড়া ১৫০ থেকে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকায় কিনেছেন পাইকাররা। তবে এবারও ছাগলের চামড়া কিনতে দেখা যায়নি তাদের। এ অবস্থায় অনেকেই তাদের কোরবানির পশুর চামড়া ডোবা-নালায় বা ডাস্টবিনে ফেলছেন।

দুপুরের পর থেকে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে মওসুমি চামড়া ব্যবসায়ীরা ভ্যানযোগে চামড়া নিয়ে চারমাথা মোড় আনেন। সেখানে পাইকাররা ১০০ থেকে সর্বোচ্চ ৩০০ টাকায় কিনে আনা চামড়া ১৫০ থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি করেছেন। অন্যান্যবার দিনশেষে রাত গড়িয়ে সকাল অবধি চামড়া কেনা-বেচার চাপ থাকলেও এবার রাত ৯টায় অনেকটাই ফাঁকা এ পাইকারী বাজার।

এ বাজারের পাইকার লিটন চন্দ্র দাস জানান, সরকারের নির্ধারিত দাম থাকলেও লবণের দামে ও মূলধনে কোনো সহযোগিতা না পাওয়ায় আমরাও শঙ্কায় রয়েছি। ৫’শ টাকায় চামড়া কিনে লবণ লাগাতে হবে ২’শ টাকার। সেক্ষেত্রে ৮’শ থেকে ৯’শ টাকায় চামড়া ট্যানারিতে পৌঁছানো সম্ভব হবে না।

একটি সূত্রে জানা যায়, এবছর সারাদেশ থেকে সপ্তাহজুড়ে কোনো চামড়ার গাড়ি ঢাকা বা ট্যানারিতে ঢুকবে না। জেলার মধ্যেই চামড়া ব্যবসায়ীরা তাদের চামড়ায় লবণ লাগিয়ে ৭-৮দিন সংরক্ষণ করবেন। একটি গরুর সর্বোচ্চ দর দেওয়া হয়েছে ৯০০ টাকা।

পোস্টটি শেয়ার করুনঃ