জলঢাকায় স্বপ্ন প্রকল্পের আওতায় নারী উপকারভোগী নির্বাচনে চেয়ারম্যান ও মেম্বার হাতাহাতি

মোঃ এহছান এলাহী,,জলঢাকা প্রতিনিধি

নীলফামারী জলঢাকায় স্বপ্ন প্রকল্পের আওতায় নারী উপকারভোগী নির্বাচনে চেয়ারম্যান ও এক ইউপি সদস্যের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। অনাকাঙ্খিত এ ঘটনায় উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে চেয়ারম্যানের নির্দেশে গেট তালাবদ্ধ রেখে নারী উপকারভোগী নির্বাচন সুসম্পুর্ন করা হয়েছে। গতকাল সকাল সাড়ে ১১টায় উপজেলা ডাউয়াবাড়ি ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় জেলা স্বপ্ন প্রকল্প সমন্বয়কারী সামসুল আলম, গণমাধ্যমকর্মীরা সহ স্থানীয় সূধী সমাজের ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন। সুত্র মতে, ২৪শে এপ্রিল বুধবার পূর্ব নির্ধারিত দিনক্ষণ অনুযায়ী উপজেলার ডাউয়াবাড়ি ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডে স্বপ্ন প্রকল্পের আওতায় ৩৬ জন নারী উপকারভোগী নির্বাচিত করার কথা। সে অনুযায়ী জেলা স্বপ্ন প্রকল্পের সমন্বয়কারীসহ উক্ত প্রকল্পের কর্মীবৃন্দ উপস্থিত হয় এবং কর্মপরিচালনা আরম্ভ হয় নেকবক্ত দ্বী-মুখী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গনে। ঘটনার সুত্রপাত ঘটে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে। একটি ভিডিওতে দেখা যায়, স্বপ্ন প্রকল্পের কর্মীদের সামন থেকে অত্র ৬নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলমকে ৪/৫ জন গ্রাম পুলিশ সদস্য হাত এবং লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি বেত্রাঘাত করতে করতে স্কুল মাঠের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। এ সময় লক্ষ করা গেছে এক গ্রাম পুলিশ সদস্যদের নিকট লাঠি কেরে নিয়ে চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম মুকুল ওই ইউপি সদস্যের উপর মারমুখী আচরন করছেন এবং ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলম তার ব্যবহৃত পাদুকা উঠিয়েছেন চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম মুকুলের দিকে। পরে গ্রাম পুলিশ সদস্যরা ওই ইউপি সদস্যকে বিদ্যালয় মাঠ থেকে বাহিরে বের করে দিয়ে মুল গেট তালাবদ্ধ করে রাখেন। স্কুল গেট তালাবদ্ধ করার বাহিরের পরিবেশ আরো উত্তপ্ত হয়ে উঠে। পরে ওই উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে স্কুল গেটের মুল ফটকে তালাবদ্ধ রেখে নারী উপকারভোগী নির্বাচন সুসম্পূর্ন করা হয়। এ বিষয়ে চেয়ারম্যান কর্তৃক লাঞ্ছিত হওয়া ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলম গণমাধ্যমকে জানান, আমি গত মঙ্গলবার রাতে জানতে পারি স্বপ্ন প্রকল্পের আওতায় নারী উপকারভোগী নির্বাচিত হবে। প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে ৪জন করে নিবে। সে জন্য চেয়ারম্যান মিটিং ডেকেছে পরিষদে। আমি সন্ধ্যায় সেখানে গেলে আমাকে দেখে চেয়ারম্যান আলাপ স্থগিত করেন। পরে জানতে পারি সকল ইউপি সদস্যদের ডেকে নিয়ে চেয়ারম্যান সাহেব তার বাসায় মিটিং করেছে। কিন্তূ চেয়ারম্যান আমাকে অবগত বা ডাকেনি। আজ বুধবার সকালে স্বপ্ন প্রকল্পের আওতায় নারী উপকারভোগী নির্বাচনের সময় আমি জানতে চাইলাম পরিষদ বাদ দিয়ে স্কুল মাঠে কেন। এ সময় চেয়ারম্যান বলেন, কোথায় হবে সেটা আমার ইচ্ছা। তোমাকে সেটা বলতে হবে। তোমার বাবার ইচ্ছা। তৎক্ষনাৎ ওই ইউপি সদস্য ও চেয়ারম্যানের মধ্যে বাকবিতন্ডা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে চেয়ারম্যান গ্রাম পুলিশদের লেলিয়ে দিয়ে আমাকে মেরে লাঞ্ছিত করলো। ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলম জানান, শুধু এ ঘটনায় নয় চেয়ারম্যান আমাকে পরিষদের কার্যক্রম থেকে বিগত দেড় বছর যাবৎ বাহিরে রেখেছে। দেখি থানায় অভিযোগ দায়ের করার প্রক্রিয়ায় আছি। অন্যদিকে এ ঘটনার মতমতের জন্য ডাউয়াবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম মুকুল এর মুঠোফোনে একাধিক চেষ্টা করে তাকে পাওয়া যায়নি।

নীলফামারী জলঢাকায় স্বপ্ন প্রকল্পের আওতায় নারী উপকারভোগী নির্বাচনে চেয়ারম্যান ও এক ইউপি সদস্যের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। অনাকাঙ্খিত এ ঘটনায় উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে চেয়ারম্যানের নির্দেশে গেট তালাবদ্ধ রেখে নারী উপকারভোগী নির্বাচন সুসম্পুর্ন করা হয়েছে। গতকাল সকাল সাড়ে ১১টায় উপজেলা ডাউয়াবাড়ি ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় জেলা স্বপ্ন প্রকল্প সমন্বয়কারী সামসুল আলম, গণমাধ্যমকর্মীরা সহ স্থানীয় সূধী সমাজের ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন। সুত্র মতে, ২৪শে এপ্রিল বুধবার পূর্ব নির্ধারিত দিনক্ষণ অনুযায়ী উপজেলার ডাউয়াবাড়ি ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডে স্বপ্ন প্রকল্পের আওতায় ৩৬ জন নারী উপকারভোগী নির্বাচিত করার কথা। সে অনুযায়ী জেলা স্বপ্ন প্রকল্পের সমন্বয়কারীসহ উক্ত প্রকল্পের কর্মীবৃন্দ উপস্থিত হয় এবং কর্মপরিচালনা আরম্ভ হয় নেকবক্ত দ্বী-মুখী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গনে। ঘটনার সুত্রপাত ঘটে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে। একটি ভিডিওতে দেখা যায়, স্বপ্ন প্রকল্পের কর্মীদের সামন থেকে অত্র ৬নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলমকে ৪/৫ জন গ্রাম পুলিশ সদস্য হাত এবং লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি বেত্রাঘাত করতে করতে স্কুল মাঠের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। এ সময় লক্ষ করা গেছে এক গ্রাম পুলিশ সদস্যদের নিকট লাঠি কেরে নিয়ে চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম মুকুল ওই ইউপি সদস্যের উপর মারমুখী আচরন করছেন এবং ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলম তার ব্যবহৃত পাদুকা উঠিয়েছেন চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম মুকুলের দিকে। পরে গ্রাম পুলিশ সদস্যরা ওই ইউপি সদস্যকে বিদ্যালয় মাঠ থেকে বাহিরে বের করে দিয়ে মুল গেট তালাবদ্ধ করে রাখেন। স্কুল গেট তালাবদ্ধ করার বাহিরের পরিবেশ আরো উত্তপ্ত হয়ে উঠে। পরে ওই উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে স্কুল গেটের মুল ফটকে তালাবদ্ধ রেখে নারী উপকারভোগী নির্বাচন সুসম্পূর্ন করা হয়। এ বিষয়ে চেয়ারম্যান কর্তৃক লাঞ্ছিত হওয়া ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলম গণমাধ্যমকে জানান, আমি গত মঙ্গলবার রাতে জানতে পারি স্বপ্ন প্রকল্পের আওতায় নারী উপকারভোগী নির্বাচিত হবে। প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে ৪জন করে নিবে। সে জন্য চেয়ারম্যান মিটিং ডেকেছে পরিষদে। আমি সন্ধ্যায় সেখানে গেলে আমাকে দেখে চেয়ারম্যান আলাপ স্থগিত করেন। পরে জানতে পারি সকল ইউপি সদস্যদের ডেকে নিয়ে চেয়ারম্যান সাহেব তার বাসায় মিটিং করেছে। কিন্তূ চেয়ারম্যান আমাকে অবগত বা ডাকেনি। আজ বুধবার সকালে স্বপ্ন প্রকল্পের আওতায় নারী উপকারভোগী নির্বাচনের সময় আমি জানতে চাইলাম পরিষদ বাদ দিয়ে স্কুল মাঠে কেন। এ সময় চেয়ারম্যান বলেন, কোথায় হবে সেটা আমার ইচ্ছা। তোমাকে সেটা বলতে হবে। তোমার বাবার ইচ্ছা। তৎক্ষনাৎ ওই ইউপি সদস্য ও চেয়ারম্যানের মধ্যে বাকবিতন্ডা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে চেয়ারম্যান গ্রাম পুলিশদের লেলিয়ে দিয়ে আমাকে মেরে লাঞ্ছিত করলো। ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলম জানান, শুধু এ ঘটনায় নয় চেয়ারম্যান আমাকে পরিষদের কার্যক্রম থেকে বিগত দেড় বছর যাবৎ বাহিরে রেখেছে। দেখি থানায় অভিযোগ দায়ের করার প্রক্রিয়ায় আছি। অন্যদিকে এ ঘটনার মতমতের জন্য ডাউয়াবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম মুকুল এর মুঠোফোনে একাধিক চেষ্টা করে তাকে পাওয়া যায়নি।

পোস্টটি শেয়ার করুনঃ