মোঃ এহছান এলাহী জলঢাকা প্রতিনিধি :-

 

জলঢাকায় আসন্ন পৌরসভা উপ-নির্বাচন উপলক্ষে প্রার্থীরা নির্বাচনী মাঠ চশিয়ে ভোট প্রার্থনায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। আর মাত্র হাতেগোনা কয়েকটা দিন অবশিষ্ট থাকায় কর্মী সমর্থক আত্মীয় সজনসহ কোমড় বেঁধে নির্বাচনী মাঠ সরগরম রেখেছেন তারা। এবারের আসন্ন পৌর উপ-নির্বাচনে ত্রি-মুখী লড়াইয়ে সম্ভাবয়ান নির্বাচনী মাঠ সরগরম। কর্মী সমর্থকরাও নিজ নিজ পছন্দের প্রার্থীর লিফলেট, প্লাকাড ও ব্যানার সংবলিত স্টিকার ও টাট্টু বাইকে ঝুলিয়ে দিব্বি মহড়া দিচ্ছেন পৌর শহর। সব মিলিয়ে পৌর উপ-নির্বাচন জমে উঠেছে জলঢাকায়। অন্যদিকে উপ-নির্বাচনকে ঘিরে পৌর শহরের চায়ের দোকান থেকে আরাম্ভ করে পানের দোকান পর্যন্ত সর্বত্ত্বই এখন নির্বাচনী হাওয়া বইছে। এবারের আসন্ন পৌর উপ-নির্বাচনে ত্রি-মুখী লড়ায়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জলঢাকার হেভিওয়েট তিন প্রার্থী। এই হেভিওয়েট প্রার্থীদের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কে হচ্ছেন আগামী দিনের জন্য জলঢাকা পৌরসভার মেয়র তা প্রত্যক্ষ করার অধির আগ্রহে আছে পৌরবাসী। উপ-নির্বাচনে যে ৩জন মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছে তারা হলেন, সাবেক পৌর মেয়র ইলিয়াস হোসেন বাবুল’র পুত্র নাসিব সাদিক হোসেন নোভা। তিনি নারিকেল গাছ প্রতিক নিয়ে ভোট যুদ্ধে লড়ছেন। পিতার আকস্মিক মৃত্যুর পর কর্মী ও সমর্থকবৃন্দের সমর্থনে সাবেক পৌর মেয়র ইলিয়াস হোসেন বাবুল’র পরিবারের পক্ষ থেকে বড় ছেলে নাসিব সাদিক হোসেন নোভাকে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার স্বীদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় তিনি ভোট যুদ্ধে লড়ছেন। পক্ষান্তরে বাবার নির্বাচনী মাঠ নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং তারন্যের প্রতিক হিসাবে পৌর ইলেকশনে ভোট যুদ্ধে লড়াই করে বাবার রেখে যাওয়া সম্মান অটুট রাখতে পৌর নির্বাচন করছেন নাসিব সাদিক হোসেন নোভা। অন্যদিকে অপর এক পৌর কান্ডারী সাবেক পৌর মেয়র ফাহমিদ ফয়সাল চৌধুরী কমেট তিনিও রেল ইঞ্জিন প্রতিক নিয়ে সতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে পৌর উপ-নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছেন। সাবেক এ পৌর নিয়ন্ত্রক পিতার আসনটি পুনরায় উদ্ধারে তৎপর। তিনি জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির জলঢাকা উপজেলা শাখার সভাপতি। দলিয় ভাবে নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্যেও তিনি সতন্ত্র প্রার্থী হয়ে পৌর উপ-নির্বাচনে নির্বাচনী মাঠ সরগরম রেখেছেন। অন্যদিকে জলঢাকা পৌরসভার উপ-নির্বাচনে নতুন মুখ হিসাবে মোবাইল ফোন প্রতিক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন নিষিদ্ধ ঘোষিত বাংলাদেশ জামাতে ইসলামী জলঢাকা উপজেলা শাখার আমীর ও বর্তমান জেলা কমিটির সুরা ও কর্মপরিষদ গবেষক সদস্য প্রভাষক সাদের হোসেন। ৩জন প্রার্থীই জলঢাকার হেভিওয়েট প্রার্থী হওয়ায় এবারের পৌর উপ-নির্বাচনে ভোটারদের মাঝে দর কশাকশিরর সহিত রীতিমত হাত পরেছে মাথায়। সতন্ত্র, জামাত ও বিএনপি দলের সঙ্গে সম্পৃক্ততা থাকা প্রার্থীরা হলেও স্থানীয় ভাবে উন্নয়নের কথা বিবেচনা করে ভোটাররা এবারের নির্বাচনে কোন রাজনৈতিক মতাদর্শের প্রার্থীকে মেয়র হিসাবে নির্বাচিত করবে তা এখন প্রত্যক্ষ করার আগ্রহে পৌরবাসী। তবে নির্বাচনের আগ মুহুর্তে হেভিওয়েট তিন প্রার্থীই  নির্বাচনী প্রচারনায় বিভিন্ন উন্নয়ন মুলক চটকাদার মুখরোচক প্রলোভনসহ বঞ্চিত উন্নয়ন পূর্ণ উদ্ধারের কথা বলে ভোটারদের নিকট ভোট প্রার্থনা করছেন। সব মিলিয়ে পৌর উপ-নির্বাচন জমে উঠেছে। এখন কে হচ্ছেন আগামী দিনের পৌর কান্ডারী তা উপলব্ধি করার সময়টিই বাকী। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাচন কমিশন অফিসার উজ্জল হোসেন জানান, আসন্ন পৌর উপ-নির্বাচন সুষ্ঠু ভাবে পর্যবেক্ষন করা হচ্ছে। কোনরুপ নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন হলে তাৎক্ষণিক কার্যকারী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

পোস্টটি শেয়ার করুনঃ